Showing posts with label Helth Tips. Show all posts
Showing posts with label Helth Tips. Show all posts

শিশুর দাঁতের ক্ষয়রোগ




শিশুর শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য তার মুখগহ্বরের সঠিক যত্ন নেওয়া জরুরি। জন্মের পর থেকে শিশুর এই যত্ন শুরু করা চাই। আর শিশুর বয়স বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের যত্ন পুরোদমে নিতে হবে।
শিশুর ডেন্টাল কেরিজ বা ক্ষয়রোগে দাঁতের অবস্থা, ব্যাকটেরিয়া জীবাণুর উপস্থিতি ও শর্করাযুক্ত খাবার গ্রহণ—এ তিনের ভূমিকা প্রধান। স্টেপটোককসাই মিউটেনম নামের মুখগহ্বরের ব্যাকটেরিয়া দাঁতের এনামেল নষ্ট করে প্রধানত ক্ষয়রোগের সুযোগ সৃষ্টি করে। পরে তার সঙ্গে যোগ হয় অন্য জীবাণু।
যখন মা-বাবা শিশুকে জুসভর্তি ফিডার বা বোতল মুখে পুরে দিয়ে ঘুমানোর কাজ সারেন—তা নিঃসন্দেহে দাঁত ক্ষয়ের পথ সুগম করে দেয়। দাঁতের ক্ষয়রোগ উৎপাদনে মুখের ভেতর বেশিক্ষণ ধরে পুরে রাখা শর্করাযুক্ত খাবার অনেকাংশে দায়ী। এ ক্ষেত্রে চুইংগাম বিভিন্ন কোমল পানীয়র শর্করার তুলনায় বেশি ক্ষতিকর।
সাধারণভাবে মোলার দাঁতের (ভেতরের দাঁত) প্রান্ত থেকে ক্ষয় বা পোকায় খাওয়া শুরু হয়। এই পর্বে তা থামানোর ব্যবস্থা না করা হলে দাঁতের আরও গভীরে ঢোকে। পালপাইটিস হয়, মাড়িতে ও দাঁতের চারপাশে পুঁজ, প্রদাহ হয়। আরও ছড়িয়ে তা পাশের দাঁত নষ্ট করে, চোয়ালের অস্থিও ছুঁতে পারে বা মুখ ও মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে যায়।
নষ্ট হওয়া দাঁত চিহ্নিত করতে হবে আগে। ব্যথা-বেদনার জন্য ওষুধ দিতে হবে। সংক্রমণ কতটুকু ছড়িয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে খাওয়ানোর
কিংবা ইনজেকশনের সাহায্যে অ্যান্টিবায়োটিকস দেওয়া যেতে পারে।
প্রতিরোধটাই আসল। শিশুর প্রতি রাতে ও সকালে দুবার ব্রাশ করা, নিয়মিত মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য-পরিচর্যা মানানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরও জরুরি শিশুকে খাওয়ানোর অভ্যাসে বোতল ফিডার ব্যবহার না করা।
ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী
 শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

বাংলাদেশে জরায়ুর ক্যান্সার হচ্ছে বছরে ১২ হাজার নারীর




বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার নারী জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে বলে একটি পরিসংখ্যানে বলা হচ্ছে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিবাহ, কম বয়েসে বা ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা এসবই এর প্রধান কারণ – যা সচেতন হলে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের পরেই এই জরায়ুর ক্যান্সারের স্থান।
একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আজ থেকে জরায়ু ক্যান্সার নিয়ে একটি সচেতনতা কার্যক্রম শুরু করেছে। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন এই উদ্যোগের সাথে জড়িত আছেন।
ডা: রাসকিন বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাল্য বিবাহ, অল্প বযেসে সন্তান হওয়া, ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা – এসবই জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার প্রধান কারণ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নারীদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
সচেতনতা থাকলেই এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব, বলেন তিনি। তা ছাড়া এই রোগটি আগ্রাসী পর্যায়ে পৌছাতে ২০-২৫ বছর সময় লাগে – ফলে একটি সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমেই এটা ধরা পড়া সম্ভব।
প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসার মাধ্যমে এর নিরাময় করা যাবে, বলছিলেন ডা. রাসকিন।
তিনি বলেন, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে জরায়ু কেটে বাদ না দিয়েও এর চিকিৎসা সম্ভব।
ডা. রাসকিন বলছিলেন, সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তারা শহর ও গ্রামে প্রচুর পরিমাণ পোস্টার ও লিফলেট বিলি করছেন, র‍্যালি করছেন। এর মাধ্যমে জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি এবং কারণগুলো বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে।

পেটের চর্বি কমাতে আলাদা ব্যায়াম?


খাবার নিয়ন্ত্রণ করছেন, নিয়মিত হাঁটাহাঁটিও করছেন, ওজনও একটু একটু করে কমছে, কিন্তু পেটটা তো কিছুতেই কমছে না। অনেকেই এ অভিযোগ করে থাকেন। পেটের চর্বি বা মেদ দেহের অন্যান্য মেদের চেয়ে আলাদা এবং বেশি ক্ষতিকর।
শরীরের অন্য অংশের মেদ সাধারণত ত্বকের নিচে জমে থাকে। কিন্তু পেটের মেদ ত্বকের নিচে ও পাশাপাশি যকৃৎ, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের গায়ে লেগে থাকে। তাই পেটের চর্বির সঙ্গে হূদেরাগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য সমস্যার জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।
অনেকেই পেটের চর্বি কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক অর্থাৎ পেটের মাংসপেশির ব্যায়াম করে থাকেন। কারও ধারণা, পেটের চর্বি সাধারণ ব্যায়ামে কমে না। এর জন্য আলাদা ব্যায়াম করতে হবে। কিন্তু আলাদা ব্যায়ামে পেটের পেশির আকৃতি সুন্দর হলেও চর্বি কমাতে খুব একটা কাজে আসে না। পেটের চর্বি কমাতে দেহের সার্বিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম এবং সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই যথেষ্ট।
সপ্তাহে চার দিন আধঘণ্টা অ্যারোবিক ব্যায়াম দেহের অন্যান্য মেদের সঙ্গে পেটের মেদকেও কমিয়ে আনবে। জগিং, ট্রেডমিল, সাইকেল চালানো ইত্যাদি হলো এ ধরনের ব্যায়াম। কেউ দ্রুত পেটের চর্বি ভাঙতে চাইলে আরেকটু বেশি ব্যায়ামের দরকার হতে পারে। ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হালকা জগিং বা জোরে হাঁটার পর দেহে সঞ্চিত চর্বি ভাঙতে শুরু করে এবং পেশি তা ব্যবহার করে। এই সময়ের পর আরও ১০ থেকে ১৫ মিনিট জগিং করলে বা জোরে হাঁটলে প্রতিদিন একটু একটু করে জমানো চর্বি কমতে থাকবে।
এর সঙ্গে চর্বি ও তেলযুক্ত খাদ্য পরিহার করে প্রচুর পরিমাণে আঁশজাতীয় খাদ্য ও শাকসবজি গ্রহণ করতে হবে। পরিমিত আহার করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ১০ গ্রাম আঁশ খেতে হবে। মেদ কমানোর সাধারণ এসব উপায়ে দেহের অন্য অংশের মেদের সঙ্গে পেটের চর্বিও কমবে। এর জন্য আলাদা ব্যায়ামের দরকার হবে না।

উচ্চতা-ওজনের অনুপাত


মহিলাদের উচ্চতা থেকে ওজনের অনুপাত
উচ্চতাকম (পাউণ্ড/কেজি)সঠিক (পাউণ্ড/কেজি)বেশী (পাউণ্ড/কেজি)
৪’১০”১০০/৪৫.৫১১৫/৫২.২১৩১/৫৯.৫
৪’১১”১০১/৪৫.৯১১৭/৫৩.১১৩৪/৬০.৯
৫’০”১০৩/৪৬.৮১২০/৫৪.৫১৩৭/৬২.৩
৫’১”১০৫/৪৭.৭১২২/৫৫.৪১৪০/৬৩.৬
৫’২”১০৮/৪৯.১১২৫/৫৬.৮১৪৪/৬৫.৫
৫’৩”১১১/৫০.৫১২৮/৫৮.১১৪৮/৬৭.৩
৫’৪”১১৪/৫১.৮১৩৩/৬০.৪১৫২/৬৯.১
৫’৫”১১৭/৫৩১৩৬/৬০.৮১৫৬/৭০.৯
৫’৬”১২০/৫৪.৫১৪০/৬৩.৬১৬০/৭২.৭
৫’৭”১২৩/৫৫.৯১৪৩/৬৫১৬৪/৭৪.৫
৫’৮”১২৬/৫৭.২১৪৬/৬৬.৩১৬৭/৭৯.৯
৫’৯”১২৯/৫৮.৬১৫০/৬৮.২১৭০/৭৭.৩
৫’১০”১৩২/৬০১৫৩/৬৯.৫১৭৩/৭৮.৬
৫’১১”১৩৫/৬১.৩১৫৬/৭০.৯১৭৬/৮০
৬’০”১৩৮/৬২.২১৫৯/৭২.৩১৭৯/৮১.৪

পুরুষদের উচ্চতা থেকে ওজনের অনুপাত

উচ্চতাকম (পাউণ্ড/কেজি)সঠিক (পাউণ্ড/কেজি)বেশী (পাউণ্ড/কেজি)
৪’১০”১২৩/৫৫.৯১৩৪/৬০.১১৪৫/৬৫.৯
৪’১১”১২৫/৫৬.৮১৩৭/৬২.৩১৪৮/৬৭.৩
৫’০”১২৭/৫৭.৭১৩৯/৬৩.২১৫১/৬৮.৬
৫’১”১২৯/৫৮.৬১৪২/৬৫.৫১৫৫/৭০.৫
৫’২”১৩১/৫৯.৫১৪৫/৬৫.৯১৫৯/৭২.৩
৫’৩”১৩৩/৬০.৪১৪৮/৯৭.২১৬৩/৭৪.১
৫’৪”১৩৫/৬১.৩১৫১/৬৮.৬১৬৭/৭৫.৯
৫’৫”১৩৭/৬২.৩১৫৪/৭০১৭১/৭৭.৭
৫’৬”১৩৯/৬৩.১১৫৭/৭১.৪১৭৫/৭৯.৫
৫’৭”১৪১/৬৪.১১৬০/৭২.৭১৭৯/৮১.৩
৫’৮”১৪৪/৬৫.৫১৬৪/৭৪.৫১৮৩/৮৩.১
৫’৯”১৪৭/৬৬.৮১৬৭/৭৫.৯১৮৭/৮৫
৫’১০”১৫০/৬৮.২১৭১/৭৭.৭১৯২/৮৭.৩
৫’১১”১৫৩/৬৯.৫১৭৫/৭৯.৫১৯৭/৮৯.৫
৬’০”১৫৭/৭১.৪১৭৯/৮১.৩২০২/৯১.৮